শিরোনাম
নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টি কে চায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ৫ দফা দাবিতে রাজধানীতে ২০ কিলোমিটার সড়কজুড়ে জামায়াতের মানববন্ধন মার্চ টু সচিবালয়’ ঠেকাতে শিক্ষা ভবন মোড়ে শক্ত অবস্থানে পুলিশ ঢাকার বাতাস অস্বাস্থ্যকর, বায়ুদূষণে বিশ্বে চতুর্থ স্থানে রাজধানী মার্কিন ভ্রমণার্থীদের উপর ১০ হাজার ডলার ভিসা বন্ড বাধ্যতামূলক করল মালি ব্রাজিলে জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন প্রিন্স উইলিয়াম ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পৌনে ১২ লাখ শিশু পাবে টাইফয়েডের টিকা বাংলাদেশ বনাম হংকং : শক্তির হিসাব নাকি আত্মবিশ্বাসের লড়াই? বাণিজ্য উপদেষ্টার সঙ্গে যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য বিষয়ক দূতের বৈঠক দেশের সব বিমানবন্দরে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্ক সফর করেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস

মো. শরিফ হোসেন
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৩৯ বার

জিটিওর মেহদি হাসানকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জুলাই গণ–অভ্যুত্থান, আওয়ামী লীগ সরকারের পতন, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব নেওয়া, শেখ হাসিনাকে ভারতের আশ্রয়, আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা, নির্বাচনসহ নানা বিষয়ে কথা বলেছেন মুহাম্মদ ইউনূস। নির্বাচন আয়োজনে কেন দেড় বছর সময় লাগছে, তার ব্যাখ্যা এই সাক্ষাৎকারে দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। সাক্ষাৎকারের এই অংশ প্রথম আলোর পাঠকদের জন্য প্রশ্নোত্তর আকারে হুবহু তুলে ধরা হলো।

মেহদি হাসান: আপনার অন্তর্বর্তী সরকার এখন এক বছর ধরে ক্ষমতায় আছে। আপনি বলেছেন যে ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এটি আরও পরে হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আপনি এটিকে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে এগিয়ে এনেছেন। কিন্তু…

অধ্যাপক ইউনূস: ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে। রমজানের কারণে।

মেহদি হাসান: বুঝেছি। কিন্তু আপনি এই সাক্ষাৎকারের শুরুতে যেমন বলেছেন, বাংলাদেশের অনেক মানুষ এখনই পদক্ষেপ চান—আগামীকাল নয়, ছয় মাস পরেও নয়। সমালোচকেরা বলছেন, এটি অনেক দেরি। নির্বাচনের জন্য আরও ছয় মাস অপেক্ষা করাটা অনেক দীর্ঘ সময়। মানুষ অস্থির হয়ে পড়ছেন। আমরা কেন আগে নির্বাচন করতে পারছি না? নেপালে, যেখানে এই বছরে কিছুদিন আগে সরকার ক্ষমতাচ্যুত হয়েছে, সেখানকার অন্তর্বর্তী নেতা মাত্র ছয় মাসের মধ্যে নির্বাচন আয়োজনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। বাংলাদেশের একটি নির্বাচনের জন্য কেন ১৮ মাস লাগছে বা লাগবে?

অধ্যাপক ইউনূস: অবশ্যই, আপনি বললেন, মানুষ বলছে অনেক সময় লাগছে। এমন মানুষও আছে, যারা বলছে ৫ বছর থাকুন, ১০ বছর থাকুন, ৫০ বছর থাকুন। সুতরাং মানুষ সব ধরনের কথা বলছে। আপনি থাকুন, নির্বাচন কেন? কার নির্বাচন দরকার?

মেহদি হাসান: ঠিক আছে, কিন্তু তাঁরা সেই লোক, যাঁরা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করেন না। যাঁরা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করেন, তাঁরা বলছেন, আমরা কেন আরও দ্রুত নির্বাচন করতে পারিনি? দেরি কেন হচ্ছে?

অধ্যাপক ইউনূস: তারা যখন এ কথা বলে, তখন এটা গণতন্ত্রের বিষয় নয়। তারা কথা বলে সুশাসন নিয়ে। আমরা একটি দুর্নীতিমুক্ত শাসনব্যবস্থা দেখতে চাই, তাই আপনি থাকুন। কারণ, আমরা নির্বাচনের পর আবার বিশৃঙ্খলার মধ্যে পড়তে চাই না। আমি যা বলতে চাই, তা হলো আপনি একটি বক্তব্য তুলে ধরেছেন, অন্য বক্তব্যও আছে। কোন বক্তব্যটি বেশি শক্তিশালী

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ক্যাটাগরীর আরো সংবাদ
© 2019, All rights reserved.
Developed by Raytahost